মূল পাতা / তারকার মন / ভালো থাকার জন্য সব চেয়ে প্রয়োজন ইতিবাচক মন: অমিতাভ রেজা

ভালো থাকার জন্য সব চেয়ে প্রয়োজন ইতিবাচক মন: অমিতাভ রেজা

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন, নাট্যনির্মাতা ও চলচ্চিত্র পরিচালক তিনি। নির্মাণ করেছেন অসংখ্য নাটক ও বিজ্ঞাপনচিত্র। তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘আয়নাবাজি’ ব্যাপক দর্শকনন্দিত ও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তিনি অমিতাভ রেজা। মনের খবর পাঠকের মুখোমুখি এবার তিনি জানিয়েছেন তাঁর মনের কথা, ভালো লাগার কথা, স্বপ্নের কথা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মামুন মিজানুর রহমান।  মখ : কেমন আছেন? অমিতাভ রেজা : ভালো আছি। মখ : ভালো থাকার জন্য কী করা উচিত বলে মনে করেন? অমিতাভ রেজা : ভালো থাকার জন্য সব চেয়ে প্রয়োজন ইতিবাচক মন। সব কিছুকে ইতিবাচকভাবে দেখলে ভালো থাকা সম্ভব। আমি ট্রাফিক জ্যামের মধ্যেও ইতিবাচক দিক খোঁজে পাই এবং তখনও ভালো থাকতে পারি।
মানসিক স্বাস্থের উন্নতির জন্য দরকার সাংস্কৃতিক চর্চা। এক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান খুব খারাপ। সাংস্কৃতিক চর্চার পরিবর্তে এখানে ধর্মান্ধতার চর্চা হয়। স্বাভাবিকভাবেই এখানে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত না হওয়ার কথা।
মখ : মন খারাপ হয়? অমিতাভ রেজা : মন খারাপ জীবনেরই অংশ। মখ : কী কী কারণে মন খারাপ হয়? অমিতাভ রেজা : আমার সাধারণত মন খারাপ হয় না। ব্যক্তিগত বিষয়ে আমার মন কমই খারাপ হয়। জাতীয় ও সামাজিক নানা বিষয়ে প্রায়ই মন খারাপ হয়। যশোর রোডের গাছ কাটার খবর শুনলে, সুন্দরবনে তেলের জাহাজ ডুবে যাওয়ার সংবাদসহ এ ধরনের জাতীয় বেদনার খবরে আমার মন খারাপ হয়। মখ : রাগ হয়? অমিতাভ রেজা : আমি রাগ করি না।  মখ : একটুও রাগ হয় না?   অমিতাভ রেজা : শুধু বোকামী করলে একটু রাগ হয়। ব্যক্তি নয়, আমার বেশির ভাগ রাগ হয় সমাজের ওপর। 

মখ : স্বপ্ন দেখেন? অমিতাভ রেজা : আমি স্বপ্ন দেখি না, স্বপ্ন আমাকে দেখে। মখ : স্বপ্ন নিয়ে আপনার বক্তব্য কী? অমিতাভ রেজা : স্বপ্ন অবচেতন মনেরেই প্রকাশ। স্বপ্ন নিয়ে ফ্রয়েডের যে বক্তব্য, আমারও একই বক্তব্য। মখ :  মানসিক স্বাস্থ্যের ধারণাটিকে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কীভাবে দেখেন?  অমিতাভ রেজা : মানসিক স্বাস্থের উন্নতির জন্য দরকার সাংস্কৃতিক চর্চা। এক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান খুব খারাপ। সাংস্কৃতিক চর্চার পরিবর্তে এখানে ধর্মান্ধতার চর্চা হয়। স্বাভাবিকভাবেই এখানে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত না হওয়ার কথা। মখ : অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মনের খবরে সময় দেয়ার জন্য। অমিতাভ রেজা : ধন্যবাদ মনের খবরকেও