মূল পাতা / অষ্টম আইসিপি / শহরের ক্লিনিকগুলোর বহির্বিভাগের মনোরোগের চিকিৎসার ধরণ ও তার ফলাফল

শহরের ক্লিনিকগুলোর বহির্বিভাগের মনোরোগের চিকিৎসার ধরণ ও তার ফলাফল

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত “মনোরোগের উপর আন্তর্জাতিক সম্মেলন ২০১৫” বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোর মনোরোগবিদ্যা বিভাগের বহির্বিভাগে রোগীদের উপস্থিতি, সেবার ধরণ এবং চিকিৎসার পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা তুলে ধরেন প্রফেসর হেদায়েতুল ইসলাম।

গবেষণায় অংশগ্রহনকারীদের ৮৩ শতাংশ মধ্যবিত্ত শ্রেণির এবং ১৫ শতাংশ নিম্নবিত্ত পরিবারের। রোগীদের মধ্যে ৫৪ শতাংশ পুরুষ এবং ৪৬ শতাংশ নারী। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এ সেবার ধরণ একই রকম। মেডিকেলে আসা রোগীদের ৫৬ শতাংশ শহরের এবং ৪৪ শতাংশ গ্রাম থেকে আসা। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো চিকিৎসার দিক থেকে অনেক পিছিয়ে আছে বলে জানান তিনি। আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত তাঁদের সেবার পরিধি বাড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, দারিদ্রতা ও কুসংষ্কারের কারণে মনোরোগে আক্রান্তদের ৮৩ শতাংশ চিকিৎসা গ্রহণ করে না। বাংলাদেশের ক্লিনিকগুলোতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও মনোরোগবিদের অভাব, মানসিক স্বাস্থ্যে সরকারি বাজেটের স্বল্পতার কারণে রোগী পর্যাপ্ত সেবা পাচ্ছে না।

বাংলাদেশের অধিকাংশ ক্লিনিকে মনোরোগের চিকিৎসার রেকর্ড নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, মনোরোগের চিকিৎসার জন্য প্রতিটি ক্লিনিকে একাডেমিক রেকর্ড ফাইল থাকা উচিত। মানসিক রোগীর সুচিকিৎসার জন্য একাডেমিক পর্যায় থেকে শুরু করে ক্লিনিকে চিকিৎসার চুড়ান্ত পর্যায় পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্র গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে এবং রোগীর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। এতে মানসিক রোগের সেবার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে।

ফারুক হোসেন
মনেরখবর.কম