মূল পাতা / অষ্টম আইসিপি / গর্ভাবস্থায় ৭০ শতাংশ নারী হতাশায় ভোগেন

গর্ভাবস্থায় ৭০ শতাংশ নারী হতাশায় ভোগেন

গর্ভাবস্থায় ৭০ শতাংশ নারী হতাশায় ভোগেন। সন্তান জন্মের পর নারীদের মানসিক রোগের মাত্রা আরো বেড়ে যায় এবং সন্তান জন্মের পর শিশুর মধ্যেও এর প্রভাব পড়ে। এছাড়াও গর্ভবতী নারীরা অবসেসিভ কমপালসিভ ডিজঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, বাইপোলার ডিজঅর্ডার, এংজাইটি ডিজঅর্ডার রোগেও ভুগতে পারে। তাই গর্ভাবস্থায় যেকোনো মানসিক রোগে আক্রান্ত হলেই তাঁদের চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করা উচিত বলে উল্লেখ করেছেন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. মো: শাহ্‌ আলম।

মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক ৮ম আন্তর্জাতিক সম্মেলন- ২০১৫ এর বৈজ্ঞানিক সেশনের ওরাল প্রেজেন্টেশনে একথা বলেন তিনি। নারীদের অন্তঃসত্ত্বা এবং স্তনদানকালীন মানসিক রোগের চিকিৎসা গ্রহণে তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরো বলেন অন্তঃসত্ত্বা, শিশু জন্মকালীন কিংবা সন্তান জন্মপরবর্তী সময়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উচিৎ তাঁদের বিশেষ যত্ন নেয়া।

আমাদের সমাজে অনেক নারীই আছেন যারা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় চিকিৎসা সেবাকে ক্ষতিকর বলে মনে করেন। অনেক সময় লজ্জার কারণে চিকিৎসা-সেবা গ্রহণ করেন না। ফলে তাঁদের মধ্যে আচরণগত ও আবেগীয় সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে এবং শিশু জন্মের পর তার উপর এর প্রভাব বর্তায়।

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় চিকিৎসা গ্রহণ সম্পুর্ণ নিরাপদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, চিকিৎসা গ্রহণকালীন অন্তঃসত্ত্বা হলে নারী চিকিৎসা চালিয়ে যাবে কিনা তা নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা কাজ করে। তবে কোনক্রমেই চিকিৎসা বন্ধ করা উচিৎ নয়। কারণ চিকিৎসা বন্ধ করে দিলে রোগীর মানসিক অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে থাকে এবং সন্তান জন্মের পর এর প্রভাব পড়ে সন্তানের উপর।

ফারুক হোসেন
মনেরখবর.কম