মূল পাতা / সংবাদ / আন্তর্জাতিক / সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ব্রিটিশ মা-বাবাদের নজর বাড়ছে

সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ব্রিটিশ মা-বাবাদের নজর বাড়ছে

সন্তানের ভালো সব মা-বাবাই চান। সন্তানের সুখ মানেই বাবা-মা’র সুখ। তাইতো সন্তান অসুস্থ হলে মা-বাবাই বেশি উদ্বিগ্ন হন। সন্তানের শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে বাবা-মা সার্বক্ষণিক সেবা-যত্নের মাধ্যমে সুস্থ করে তোলার চেষ্টার ত্রুটি করেন না ।

তবে অনেক সময় সন্তানের এমন রোগ হয় যা অনেক বাবা-মা লক্ষ্য রাখেন না। সন্তান কেন মন খারাপ করে বসে থাকে, কেন ঠিক মতো খাওয়া করছে না, অন্য শিশুর সাথে কেন খেলতে যাচ্ছে না, এসব প্রশ্নের উত্তরও খুজতে চান না অনেক মা-বাবা। শারীরিক রোগ সারাতে ব্যতিব্যস্ত হলেও সন্তানের মানসিক রোগটা ধরতে পারেন না অনেকে।

শিশুদের শারীরিক সমস্যার চেয়ে মানসিক সমস্যাই তাদের বেশি ক্ষতি করে। মানসিক রোগের কারণে শিশুর মধ্যে একাকিত্ববোধ ও হতাশা বেড়ে যায়।

এ জন্য যুক্তরাজ্যে মা-বাবারা সন্তানের মানসিক রোগ নিয়েই বেশ চিন্তিত থাকেন। দেশটিতে ধীরে ধীরে বাবা-মায়েরা সন্তানের শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক দিকটার ওপর নজর দিচ্ছেন। দেশটির ৪০ শতাংশ বাবা-মা-ই তাদের সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য ও আবেগীয় আচরণ নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন থাকেন। জরিপ সাইট ইউগভের (YouGov) এক গবেষণায় উঠে এসেছে এ তথ্য।

এক থেকে ১৮ বছর বয়সের সন্তান আছে-এমন ২ হাজার ২শ ৬৭ জনসহ ৯ হাজার ১৫ জন বাবা-মার উপর গবেষণাটি চালানো হয়। এতে দেখা যায়, মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ৩০ শতাংশ বাবা-মা শিশুর খাবার, ওজন এবং শারীরিক রোগ যেমন ক্যানসার, স্ট্রোক ডায়াবেটিস কিংবা এজমা প্রভৃতি রোগ নিয়ে ভাবেন। তবে বাবার তুলনায় মা’ই সন্তানের জন্য বেশি উদ্বিগ্ন থাকেন।

সংস্থাটির প্রধান টনি হকহেড জানান,‘অল্প বয়সে সন্তান মানসিক রোগে আক্রান্ত হলে সমস্যা গুরুতর হওয়ার আগেই দ্রূত চিকিৎসা নিতে হবে। সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে এবং বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে কাউন্সেলিং সেবা নিতে হবে।’
লি নামের এক বাবা জানান, শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন না হয়ে বরং তাকে সাহায্য করতে হবে। এক্ষেত্রে শিশু কেন্দ্রগুলো বেশ ভূমিকা পালন করতে পারে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, মনের খবর