মনের অশান্তি

মনের অশান্তি বাড়ায় যেসব অভ্যাস

মনের অশান্তি খুব বিরক্তিকর এক অনুভূতি। সারাক্ষণই মনের ভেতর অশান্তি থাকলে বেঁচে থাকাটাই যেন অর্থহীন হয়ে পড়ে। একটা জীবনে সুখের পর দুঃখ, দুঃখের পর সুখ আসবে এটাইতো স্বাভাবিক। এ স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটা মেনে নিতে পারলেই অর্ধেক সমস্যা মিটে যায়। কিন্তু মানুষ আসলে এ স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটা মেনে নিতে কিছুটা অপ্রস্তুত থাকে। তবে একটা কথা যদি মাথাতে ভালো করে প্রবেশ করানো যায়। আমাদের সঙ্গে কী ঘটবে তাতে আমাদের কোনো হাত নেই, শুধু খারাপ কিছু যেন না ঘটে তার জন্য আমরা কিছু পদক্ষেপ নিতে পারি মাত্র। তবে তাতে যে ফলাফল আটকে যাবে সেটাও নিশ্চিত করে বলা যায় না। তাই মনে সুখ ধরে রাখতে আমাদের কিছু করণীয় আছে।

খারাপ চিন্তাটি আগে করা : আপনি যদি ইতিবাচক বা ভালোটা চিন্তা না করতে পারেন তাহলে আপনার সঙ্গে ভালো হবে না। এটি আপনারই বাজে অভ্যাস যে আপনি প্রত্যেকটি ব্যাপারে প্রথমে খারাপটাই ভেবে থাকেন। একটু ভালো দিক ভাবার চেষ্টা করুন। দূর হবে মনের অশান্তি।

অতীতকে বর্তমানে নিয়ে আসা : এ বিষয়টি একটি সাইকেলের মতো। আপনি যদি প্রতিবারই আপনার অতীতটাকে টেনে এনে বর্তমানে বসিয়ে ফেলেন তাহলে মন থেকে কখনো কোথাও শান্তি খুঁজে পাবেন না। তাই অতীতটাকে অতীতেই থাকতে দিন। বর্তমানের সাথে মেলাবেন না।

নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করা : যখন অন্য একজনের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করা হয় তখন নিজের ভেতরের ভালোটা কখনোই দেখা যায় না, সব সময় নিজের অভাবটাই নজরে পড়তে থাকে। এতে করে মনের অশান্তি বাড়ে, যা আপনার সুখটাকেও কেড়ে নিয়ে যায়। তাই অন্যের সাথে নিজের তুলনা নয়।

অন্যেকে পরিবর্তনের চেষ্টা : যদি আপনার মনে হতে থাকে অন্য মানুষটির মধ্যে পরিবর্তন প্রয়োজন তাহলে তা তার এবং সময়ের ওপর ছেড়ে দিন। কারণ আপনি পরিবর্তন আনতে চাইলেই তা পারবেন না এবং তা না পারলে আপনার অশান্তি লাগবে। এতে করে বিষয়টি আপনার মনের অশান্তি বাড়াবে।

‘আমার কাছে সেটা থাকলে আমি খুশি থাকতাম’ চিন্তা থাকা : নিজেকে অযথা বুঝ দিয়ে মনের অশান্তি ডেকে আনাটা অনেক খারাপ একটি অভ্যাস। মানুষের চাহিদার কোনো সীমা নেই। একটি বস্তুর কারণে নিজেকে অসুখি ভাবাটা এক ধরনের রোগের পর্যায়ে পড়ে। এ ধরনের চিন্তা বাদ দিন।