এক চতুর্থাংশ ব্রিটিশ ছেলেমেয়ে মানসিক স্বাস্থ্য সহযোগিতা নিচ্ছে না 1

এক চতুর্থাংশ ব্রিটিশ ছেলেমেয়ে মানসিক স্বাস্থ্য সহযোগিতা নিচ্ছে না

মানসিক স্বাস্থ্য সহযোগিতা নিতে বলা সত্ত্বেও যুক্তরাজ্যের প্রায় একচতুর্থাংশ তরুণ-তরুণী তা নিচ্ছে না। “লিবারেল থিংক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফোরাম” -এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী এই তরুণ-তরুণীরা সমস্যা সহ্য করে দুই-আড়াই বছর সময় এমনিতেই পার করছে। তবুও সহযোগিতা নিচ্ছে না।

৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের প্রতি দশ জনে একজনের মানসিক সমস্যা আছে- যা প্রায় প্রতিটি শ্রেণীকক্ষে তিন জনের মত দাঁড়ায় হিসেবে।

মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবেলায় দেয়া সহযোগিতার কোনো না কোনো ঘাটতি, রোগীর দীর্ঘদিন নিজেকে অসুস্থ না ভাবা, এমনকি ডাক্তারের পরামর্শ সত্ত্বেও সমস্যা যথেষ্ট নয় ভাবা – এই সহযোগিতা না নেয়ার কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে রোগীর পিতামাতারাও ভাবছেন, অবস্থা বেশি গুরুতর নয়।

তবে গবেষকরা এও দেখেছেন যে- মানসিক স্বাস্থ্য সহযোগিতার ক্ষেত্রে কখনও কখনও কিছু বিশেষ শর্তও মেনে চলা হয়। যেমনঃ রোগীর “বিএমআই” বা ওজনের গড় একটা নির্দিষ্ট সীমার ওপরে থাকতে হবে। আবার কিছু সেবায়, রোগীর আত্মহত্যার প্রবণতা দেখা গেছে কিনা বিবেচনা করা হয়।

প্রতিবেদনে একটা অন্যরকম তথ্যও উঠে আসে। যুক্তরাজ্যের উত্তরের অঞ্চলগুলোর অনূর্ধ্ব ১৮ বছর বয়সী শিশুদের পেছনে বেশি খরচ করা হয়। অন্যদিকে,  দক্ষিণাঞ্চলের সমবয়সী শিশুরা বেশ গুরুতর অর্থকষ্টে ভোগে।

যুক্তরাজ্য জাতীয় স্বাস্থ্য সেবায় কঠিনভাবে অসামঞ্জস্য রয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগা রোগী সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছে না। প্রতিবেদনদাতারা মনে করেন, পলিসি তৈরিতে গুরুত্ব দিতে হবে সবার জন্য চিকিৎসার সমতা আনতে।

তথ্যসুত্র- নিউজউইক

মাসাফি আহমেদ ফেরদৌস অনিক, আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মনেরখবর.কম