অনিদ্রার কারণে বাড়ছে মানসিক রোগ

ঘুমের সাথে মানুষের শরীর ও মনের সরাসরি যোগসূত্র আছে। সময়মতো ঘুম না আসা কিংবা পর্যাপ্ত ঘুমাতে না পারলে শরীর ও মনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। পরিমাণ মতো ঘুম না হলে স্থূলতা, স্ট্রোক, ডায়েবেটিস প্রভৃতি রোগে আক্রান্ত হওয়ার যেমন সম্ভাবনা থাকে তেমনি সম্ভাবনা থাকে হতাশা ও উদ্বিগ্নতার মতো মানসিক রোগে আক্রান্ত হওয়ারও।

এবিসি নিউজে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, ঘুম স্বল্পতার কারণে মানুষের মনের ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দেয়। এছাড়া নিদ্রাহীনতা খাদ্যাভ্যাস, রক্তসঞ্চালন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে এবং মানসিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বোস্টনের ওমেন’স হসপিটালের (Women’s Hospital in Boston) ঘুম বিশেষজ্ঞ ডা. সুসান রেডলিন বলেন, ঘুমের সাথে জৈবিক কর্মকান্ডের গভীর যোগসূত্র আছে। ঘুম স্বল্পতার কারণে মানুষের মেজাজ প্রভাবিত হয় যার প্রভাব পড়ে শরীর ও মনে।

নিদ্রাহীনতা তথা দৈনন্দিন ৬ ঘন্টার নিচে ঘুম হলে হার্টের রোগ এমনকি ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত  হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় বলে খবরে বলা হয়।

খবরে বলা হয়, দীর্ঘকাল ধরে ব্যক্তি নিদ্রাহীনতায় ভুগলে হতাশা ও উদ্বিগ্নতার (Anxiety and Depression) মতো জটিল মানসিক রোগে ভুগতে পারেন।

দীর্ঘদিন নিদ্রাহীনতার কারণে মানুষের মধ্যে অস্থির স্বভাব কাজ করে এবং ক্রমে হতাশা, উদ্বিগ্নতা ও কম আত্মতৃপ্তিতে ভোগে বলে জানান University of Iowa এর ঘুমব্যাধি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মার্ক ডাইকেন। নিদ্রাহীনতা ব্যক্তির কর্মজীবন এমনকি সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে আসতে পারে বলে জানান তিনি।

ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে তাই সময়মতো এবং পরিমাণ মতো ঘুমানোর উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সূত্র: এবিসি নিউজ

ফারুক হোসেন, আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মনেরখবর.কম