তরুণদের ইন্টারনেট আসক্তি বিষয়ে গবেষণা জরিপ করবে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট

তরুণদের ইন্টারনেট আসক্তি বিষয়ে গবেষণা জরিপ করবে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট

দেশের তরুণদের মাঝে ইন্টারনেট আসক্তি পরিমাপ ও চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণে গবেষণা জরিপ করবে জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট। জরিপে দেশের তরুণ প্রজন্ম বিশেষ করে ১০-২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে কি পরিমান ইন্টারনেট আসক্তি রয়েছে তা নির্ণয়ের পাশাপাশি কি কারণে তারা ইন্টারনেটে আসক্ত হচ্ছে তা নির্নয় করা হবে, এছাড়া কাওন্সেলিং এর জন্য একটা মডিউল তৈরি করা হবে যেটা কমিউনিটি পর্যায়ের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং শিক্ষকের ব্যবহার করে ইন্টারনেট আসক্তদের কাওন্সেলিং করাতে পারবেন।

একইসাথে ১০-১৯ বছর বয়সীদের মধ্যে আক্রমণাত্মক আচরণ, সহিংসতা, নেশাদ্রব্যের ব্যবহার, আত্মহত্যা প্রবণতা কতটা আছে তা জানার জন্যও একটি চেষ্টা করা হবে। এছাড়া এসবের জন্য কমিউনিট পর্যায়ে কি ধরনের চিকিৎসা সেবা দেওয়া যেতে পারে এই জরিপের মাধ্যমে তা জনারও চেষ্টা করা হবে।

গতকাল (১৮ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এর কনফারেন্স হলে আয়োজিত জরিপ বিষয়ক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়। কর্মশালায় গবেষণাটি কিভাবে বাস্তবায়ন করা হবে সে বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়।

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত সাইকিয়াট্রিস্টগণ এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। অন্যান্যদের সাথে নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টি বোর্ড এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. গোলাম রব্বানী,  জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সালাহ্‌উদ্দিন কাউসার বিপ্লব, একই বিভাগের অধ্যাপক ডা. এম এস আই মল্লিক, অধ্যাপক ডা. ঝুনু শামসুন্নাহার, আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার আজিজুল ইসলাম, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এর সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফারুক আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এর  সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ, ডা. আহসান উদ্দিন আহমেদ  , ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট জহির উদ্দিন সহ সংশ্লিষ্টরা জরিপ বিষয়ে বিভিন্ন কর্মকৌশল উপস্থাপন করেন।

জরিপের আর্থিক সহাযতা প্রদান করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি। জরিপে কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।