মূল পাতা / যৌন স্বাস্থ্য / হাতের আঙুলে জানা যাবে যৌন অভ্যস্ততা

হাতের আঙুলে জানা যাবে যৌন অভ্যস্ততা

মানুষের শারীরিক গড়নের সঙ্গে তার আচার-ব্যবহার বা স্বভাব-চরিত্রের কোনো মিল আছে কি? এ নিয়ে আছে তর্ক-বিতর্ক, আছে নানা মুনির নানা মত। তবে নতুন এক গবেষণা মিল থাকার পক্ষেই রায় দিয়েছে। গবেষণাটি করেছেন যুক্তরাজ্যের অ্যাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. টুইসডে ওয়াটস।

গবেষণায় বলা হয়, হাতের আঙুলের আকৃতি বলে দেবে একজন মানুষের যৌন অভ্যস্ততার ধরন। ফলে একজনের আচার-আচরণ ছাড়াও হাত দেখেই বোঝা যাবে তিনি সমকামী, কি না?

সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্টের খবরে বলা হয়, ড. ওয়াটের গবেষণায় ১৮ জোড়া হুবহু দেখতে নারী যমজ অংশ নেন। প্রতি যমজের একজন সাধারণ যৌন জীবনে অভ্যস্ত এবং অপরজন সমকামী ছিলেন। পরে দেখা যায় সমকামী যমজদের হাতের আঙুলের আকৃতিতে বেশ মিল রয়েছে। আর তা সাধারণ যমজদের চেয়ে আলাদা।

গবেষণায় বলা হয়, গর্ভাবস্থায় বেড়ে ওঠার সময় শরীরে টেসটোস্টেরন হরমোনের কারণে যৌনতা ও আঙুলের গড়নের এই মিল থাকতে পারে। এক্ষেত্রে একজনের তর্জনী ও অনামিকা আঙুল সমমাপের হলে তিনি যৌন জীবনে সাধারণ বলে ধরা যেতে পারে। আর তর্জনী যদি অনামিকার চেয়ে লম্বা হয়, তা সমকামীতার দিকে ইঙ্গিত দেয়।

সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে ড. ওয়াট বলেন, হুবহু দেখতে যমজদের জিনের গঠন একই রকম হয়। তবে তা যৌনতার ক্ষেত্রে আলাদা হতে পারে। গর্ভে বেড়ে ওঠার সময় শিশুর শরীরে পুরুষ হরমোন টেসটোস্টেরনের মাত্রা বেশি হলে তার সমকামী হওয়ার সম্ভবনা থাকে। তাই হরমোন আর আঙুলের আকৃতি দেখে সমকামী চেনা যেতে পারে।

তবে হুট করে আঙুল দেখে যৌনতায় অভ্যস্ততার ধরন বলে দেওয়ার এই পদ্ধতি দিয়ে কথা উঠেছে। বলা হচ্ছে এই গবেষণার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ তথ্য ব্যবহার করা হয়নি। এ ছাড়া সেখানে অন্য যৌন অভ্যস্ততাগুলো নিয়ে বলা হয়নি।

তো নিজের বা পাশের মানুষটির সম্পর্কে আপনার কী ধারণা? গবেষণার ওপর ভিত্তি করে মেপে নিতে পারেন আঙুল। আর বের করে নিতে পারেন একটি সোজাসাপ্টা হিসাব।